Showing posts with label News Portal. Show all posts
Showing posts with label News Portal. Show all posts

আফগানদের জায়গা না দিয়ে বাংলাদেশ ভুল করেছে: জাফরুল্লাহ

 

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে আফগানদের দেশে জায়গা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ভুল করেছে। মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘দুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছিল, হাজার বিশেক আফগানকে সাময়িক সময়ের জন্য জায়গা দিতে। গোয়ার্তুমি করে না করে দেওয়া হয়েছে। এটা একটা ভুল কাজ হয়েছে। এই ভুল কাজ করে নোবেল প্রাপ্তির থেকে দূরে সরে গেলেন। অনুরোধটা রাখা উচিত বলে আমি মনে করি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা একের পর এক ভুল করে যাচ্ছি।

তালেবানদের মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আজকে আফগানিস্তানে তালেবানরা জয়ী হয়েছে। তালেবান কারা? তারা আফগানিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা। ২০ বছর বিদেশি শাসন থেকে মুক্তির জন্য তারা সংগ্রাম করছে। আজকে অন্যদেশের মুক্তিযুদ্ধকেও শ্রদ্ধা করতে শেখা উচিত। বঙ্গবন্ধু কিন্তু বলে গিয়েছিলেন, যেখানেই মুক্তির আন্দোলন হবে তাতে আমরা সমর্থন করবো। আমাদের উচিত তালেবানদের স্বীকৃতি দেওয়া।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আজকে যদি আমরা স্বীকৃতি না দেই, তারা ভারতের মতো হিন্দুত্ববাদের দিকে যাবে। সেখানে উদারপন্থী ইসলামী রাষ্ট্র না হয়ে একটা ধর্মান্ধ রাজনীতি শুরু হতে পারে। সেখানে যদি আমরা এখনই তাদের স্বীকৃতি দেই, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করি, তাদের আমরা প্রভাবিত করতে পারবো। আমরা একটা উদার ইসলামিক রাষ্ট্র করতে পারবো। তাছাড়া আমাদের লাভ হচ্ছে সেখানে লক্ষাধিক বাংলাদেশির কর্মসংস্থান হবে। এটা ভুলে গেলে চলবে না, আমরা যদি সেই জায়গা না নেই তাহলে হিন্দুত্ববাদী ভারত নিয়ে নেবে। তাই আজকে তালেবানদের বাইরে ঠেলে না দিয়ে সমর্থন করার দরকার আছে।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

হেফাজতে ইসলাম: জুনায়েদ বাবুনগরী কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করার কয়েক ঘণ্টা পর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করলেন

 রবিবার রাতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই সংগঠনটি একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।

আহ্বায়ক কমিটিরও প্রধান হয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরী।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের নেতা নুরুল ইসলাম জিহাদি আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা দেন।

coinpayu


এরপর সকালে একটি সংবাদ বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা তিনজন।

বাকী দুজন সদস্য হচ্ছেন:

  • মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী - প্রধান উপদেষ্টা
  • নুরুল ইসলাম জিহাদি - সদস্য সচিব

বিবৃতিতে বলা হয়, "চলমান অস্থির ও নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা পরবর্তী উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শেক্রমে ৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হলো"।


দস্য সচিব মি. জিহাদি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের যাবতীয় কর্মসূচী পরিচালিত হবে।

সংগঠনের লিখিত বিবৃতিতে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সংখ্যা তিন জন উল্লেখ করা হলেও মি. জিহাদি তার ভিডিও বার্তায় সদস্যের সংখ্যা ৫ জন বলে উল্লেখ করেছেন। বাকী দুজন সদস্যের নাম তিনি উল্লেখ করেন, সালাউদ্দিন নানুপুরি এবং মিজানুর রহমান চৌধুরী।


হেফাজতকে জঙ্গি সংগঠন আখ্যা দিতে মার্কিনিদের কাছে ধরনা

 


হেফাজতে ইসলামকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাংলাদেশের ছয় সংগঠন।

সংগঠনগুলো হলো- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি নিউইয়র্ক শাখা, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ইউএসএ কমিটি ফর সেকুলার অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্র শাখা, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটারেনস যুক্তরাষ্ট্র।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ এই সংগঠনকে একটি ধর্মীয় সংগঠন দাবি করে, কিন্তু তাদের সব কর্মকাণ্ড জঙ্গি সংগঠন তালেবান এবং আইসিস’র মত। হেফাজতে ইসলাম ধর্মের নাম করে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে নারীবিরোধী, সংখ্যালঘুবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বাংলাদেশকে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র বানানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশব্যাপী, বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সিলেটের সুনামগঞ্জের শাল্লায় সংখ্যালঘুদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিস্তারিত স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হয়।

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানানো হয়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মৌলবাদী সংগঠনটিকে যদি জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা দিয়ে দ্রুত নিষিদ্ধ করার চেষ্টা না করা হয়, তাহলে এই সংগঠনটি ধর্মের আড়ালে আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয় বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও বিপদজনক।

ছয়টি সংগঠনের পক্ষে স্মারকলিপি পাঠান একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী।

ডেইলি স্টারের সংবাদ দেখুন

লেখক মুশতাক হত্যার ব্যাপারে তথ্যপ্রকাশ করল আল-জাজিরা

 সম্প্রতিক লেখক মুস্তাক আহমদের কারাগারে মৃত্যু করেছেন৷ করোনাকালীন দুর্নীতির কথা লেখার কারণে বহুল সমালোচিত "ডিজিটাল সিকিউরিট অ্যাক্ট" এর মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়৷ সরকারের কাছে বার বার জামিন চাওয়ার পরও আদালত তাকে জামিন দেয়নি৷ বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণ মনে করে লেখক মুস্তাককে নির্মমভাবে টর্চার করে কারাগারেই হত্যা করা হয়েছে৷ ফলে লেখক মুস্তাক আমদের  হত্যার প্রতিবাদ ও বিতর্কিত "ডিজটাল সিকিউরিটিি অ্যাক্ট" কালো আইন বাতিলের দাবিতে ছাত্র জনতা রাজধানির উত্তপ্ত করে রেখেছে৷ তারা ২৬ মার্চের মধ্যে কালো আইনে বাতিলের আল্টিমেডাম দিয়েছে৷ বাংলাদেশের কোন মিডিয়াতে তা না আসলেও আল-জাজিরা এবং ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন তা এসেছে৷

আল-জাজিরায় প্রচারিত




ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন



যুক্তরাষ্ট্রে আল জাজিরার বিরুদ্ধে মামলা করল আওয়ামিপন্থী

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার আবেদনের বিষয়টি জানানো হয়।
ছবি: সংগৃহীত (প্রথম আলো)


আল-জাজিরা টিভি ও পাঁচজনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের মামলার আবেদন করা হয়েছে৷ এতে আল-জাজিরার সম্প্রতিক প্রচারিত " All the Prime minister's man" এর ভিডিও প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে৷ এবং প্রত্যেকের কাছ থাকে ক্ষতিপূরণ বাবৎ ৫০০ মিলিয়ন ডলার চাদা প্রদানের নির্দেশ করা হয়েছে৷ 


মামলার বিবাদী (১) আল-জাজিরা ইংলিশ (২) দেশত্যাগী ড. কনক সারওয়ার (৩) সাংবাদিক ইলিয়াছ হুসাইন (৪) অব জেনারেল দেলওয়ার হোসেন (৫) জুলকারনাইন সায়ের (৬) ডেভিড বার্গম্যান ও (৭) আল-জাজিরা মিডয়া নেটওয়ার্ক৷

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন

আল জাজিরার রিপোর্ট নিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ আদালত

একজন বাংলাদেশী আইনজীবী উচ্চ স্তরের দুর্নীতির তদন্তে আল জাজিরার মহাপরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার চেষ্টা করেছিলেন৷
পলাতক হারিস আহমেদ এবং জেনারেল আজিজ আহমেদ বেশ কয়েকজন বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির সাথে বৈঠক করছেন [ফাইল: আল জাজিরা]

দ্বারা আল জাজিরা তদন্তকারী ইউনিট 23 ফেব্রুয়ারী 2021


আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের (এজেএমএন) মহাপরিচালক এবং দেশের উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির তদন্তে অবদানের জন্য আরও তিন জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার প্রয়াসকে বাংলাদেশের একটি আদালত প্রত্যাখ্যান করেছে।

আল জাজিরার তদন্তের পরে ১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন - সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর পুরুষ - যেভাবে ১৯৯৬ সালের একটি হত্যার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তার ভাই হারিস আহমেদকে জেল থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করেছিলেন৷




আল জাজিরার তদন্তকারী ইউনিট হারিস আহমেদকে হাঙ্গেরিতে নিয়ে যায় যেখানে তিনি মোহাম্মদ হাসানের ভ্রান্ত পরিচয়ের অধীনে বাস করছিলেন এবং ইউরোপে সম্পত্তি ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান কিনছিলেন। তদন্তে বিভিন্ন দলিল প্রকাশিত হয়েছিল যা দেখায় যে কীভাবে সেনাপ্রধান তার ভাইকে গ্রেপ্তার থেকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার জন্য তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন। মালেক আল জাজিরার তদন্তমূলক প্রতিবেদনটিকে "কল্পিত ও ত্রুটিযুক্ত" এবং দেশটির সরকারকে "পতন" দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।


মঙ্গলবার স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে ঢকা মহানগর হাকিম শহীদুল ইসলাম সরকারের এ আইনানুগ পদক্ষেপ অনুমোদিত না হওয়ায় এজেএমএন মহাপরিচালক মোস্তেফা সওগ, সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান এবং তাসনিম খলিল, এবং ব্যবসায়ী জুলকারনিয়ান সের খানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশ।




গোপন চুক্তি
সেনা প্রধানের মোট তিন ভাইকে আট বছর আগে ঢাকায় হত্যার জন্য ২০০৪ সালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, ২০০৪ সালে বাংলাদেশের হাইকোর্ট কর্তৃক এই দোষ প্রমাণিত হয়েছিল। জোসেফ আহমেদ নামে এক ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল তবে জেনারেল আহমেদ সেনাবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমা করেছিলেন ।


এই মাসের শুরুর দিকে মালেক রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ দায়ের করার আগের দিন প্রকাশিত হয়েছিল যে জেনারেল আহমেদের অন্য দুই ভাই হারিস ও আনিস আহমেদকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অপসারণের জন্য একটি গোপন চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একমত হয়েছে। মার্চ 2019-এর এই পদক্ষেপের অর্থ হ'ল তাদের হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং কারাগারে কোনও সময় কাটানো না থাকা সত্ত্বেও দুজনই মুক্ত পুরুষ ছিল।

আল জাজিরা মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে লুকিয়ে থাকা আনিস আহমেদকে আবিষ্কার করেছিলেন, যেখানে তিনি মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারকারী হারিস আহমেদের কাছে সম্পত্তি কিনেছিলেন। কারাদণ্ডের রায় প্রত্যাহারের গোপন চুক্তির কয়েকদিন পর, হারিস ও আনিস আহমেদ ঢাকার সেনাবাহিনীর সদর দফতরে জেনারেল আহমেদের ছেলের হাই-প্রোফাইল বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন এবং হামিদসহ আন্তর্জাতিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছিলেন যে এই চুক্তির বিষয়ে তার কোন জ্ঞান নেই তবে প্রথম আলো পত্রিকাকে বলেছেন: “পলাতক অপরাধী কোনও আইনগত অধিকার পায় না। আইনী অধিকার পেতে হলে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। ” বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আল জাজিরার তদন্তকে "কোনও বৈধ প্রমাণ ছাড়াই পেশাগতভাবে উচ্চ দক্ষ, সর্বজনস্বীকৃত সেনাপ্রধানের অবমাননা করার" দূষিত প্রচেষ্টা "বলে অভিহিত করেছে। জেনারেল আহমেদ জোর দিয়ে বলেছেন যে তার ভাইদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক মামলা মুলতুবি নেই। আল জাজিরার নিউজ লিঙ্ক